অনন্য স্বীকৃতি, অস্কারের ইউটিউবে প্রথম ভারতীয় ছবি জয় ভীম!

Jai Bhim: ২০২১ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিয়োয় (Amazon Prime Video) মুক্তি পায় সুরিয়া (Suriya) অভিনীত ছবি জয় ভীম। ২০২১ সালের ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছবির তকমা পায় তামিল ভাষায় মুক্তি পাওয়া জয় ভীম। এবার এল অস্কারের স্বীকৃতিও। এই ছবির পরিচালকের স্টোরি ন্যারেটিভ ফিচার করা হল অস্কারের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।

এক সত্যি ঘটনা অবলম্বনে তৈরি ছবি জয় ভীম। এমনিতেই রিয়াল লাইফ ইন্সিডেন্ট পর্দায় দেখার উত্‌সাহ দর্শকের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আর সেই ছবি যদি তৈরি হয় নিখুঁত, তাহলে দর্শক এবং ক্রিটিকের কাছে তার অ্যাপিল বেড়ে যায় কয়েক গুণ। টি জে গানাভেল (TJ Gnanavel) পরিচালিত এই ছবিতে ফুটে উঠেছে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষদের জন্য জাস্টিস কে চন্দ্রুর অনন্য সংগ্রামের ঘটনা। সুরিয়া যেমন তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনয় করেছেন, তেমনই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন লিজোমোল (Lijomol), মণিকান্দন (Manikandan) এবং প্রকাশ রাজের (Prakash Raj) মতো পোড় খাওয়া অভিনেতারা। হলিউডের ক্লাসিক দ্য গডফাদার (The Godfather) এবং দ্য শশ্যাংক রিডেম্পশনের (The Shawshank Redemption) মতো ছবিকে টেক্কা দিয়েছে IMDb রেটিংয়ে।

২০২১ সালের নভেম্বর মাসে জানা যায় গোল্ডেন গ্লোবস ২০২২-এর (Golden Globes 2022) মনোনয়ন তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এই ছবিটি। মনোনীত হয়েছে শ্রেষ্ঠ নন ইংলিশ ল্যাঙ্গোয়েজ ফিল্ম (Non English Language Film) ক্যাটেগরিতে। এই সাফল্যে খুশির জোয়ার সুরিয়ার ভক্তদের মনেও। সুরিয়ার বিপরীতে এই ছবিতে দেখা গিয়েছিল জ্যোতিকাকে। যদিও মুক্তির পরে একাধিক কনট্রোভার্সিতে জড়িয়ে পড়েছিল জয় ভীম, কিন্তু তার কোনও কিছুই ছবির সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
ক্যাটরিনার সঙ্গে ভিকির প্রথম ছবি জি লে জারা!
eisamay‘এতে তোর বদনাম হবে’, কেন সুচিত্রাকে একথা বলেছিলেন উত্তম কুমার!
ei samay
গত বছর ডিসেম্বর মাসেই কলকাতায় এসেছিলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা দলিত আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় মুখ, কে চন্দ্রু। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট হলে প্রধান বক্তা হিসেবে এসেছিলেন। বাবরি মসজিদ ধ্বংস এবং সংবিধান প্রণেতা ভীমরাও আম্বেদকরের মৃত্যুদিন উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক কনসার্টের আয়োজন করেছিল SFI। সেই অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের ভূমিকা প্রসঙ্গে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন বিচারপতি চন্দ্রু। কড়া সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় সরকারেরও। ২০০৬ সালে মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ হন কে চন্দ্রু। তার আগে আইনজীবী হিসেবে বার বার তিনি প্রান্তিক, দলিত, নিপীড়িতদের জন্য মামলা করে ন্যায়বিচার ছিনিয়ে এনেছেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে পুলিশি হেফাজতে এক দলিতের অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। হেবিয়াস কর্পাসের প্রয়োগ করে সেই মৃতের পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেন কে চন্দ্রু। তাঁর সেই লড়াই নিয়েই তৈরি হয়েছে ‘জয় ভীম’ ছবিটি।

We wish to thank the writer of this short article for this incredible web content

অনন্য স্বীকৃতি, অস্কারের ইউটিউবে প্রথম ভারতীয় ছবি জয় ভীম!

Movies